ইসলামে ধনী হওয়ার ২১ টি উপায়ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ২১টি উপায়
ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ২১টি উপায় সম্পর্কে হাদিসের বেশ কিছু বিবরণ যেমন ইসলামে ধনী হওয়ার উপায় এক্ষেত্রে সবচাইতে শক্তিশালী দোয়া হল আল্লাহুম্মাকফীনী বি-হালালিকা আন-হারামিকা ওয়াআগনিণী বি-ফাদলিকা আম্মান সিওয়াক’ এই দোয়া পাঠ করা এছাড়াও কুরআন এবং হাদিস অনুযায়ী ধনী হওয়ার উপায় এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ২১টি উপায়
ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ২১টি উপায়
ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ২১টি সহজ উপায় গুলোর যেকোনো একটি আমল করে ইসলামিক উপায়ে ধনী হতে পারবেন বলে আশা রাখতে পারেন। কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী সহজে ধনী হওয়ার ২১ টি মাধ্যম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনায় ইসলামের ধনী হওয়ার সহজ উপায় গুলো।

উপস্থাপনা

দুনিয়াতে আমরা সবাই চাই ধনী হয়ে বেঁচে থাকতে চাই অথবা ধনীদের মত জীবন যাপন করতে চাই, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে কিংবা অন্যান্য কারণে আমাদের এই ইচ্ছাটা সফলতার মুখ দেখতে পায় না  এর কারণ হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ বিয়ে সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালার বিধান সম্পর্কে

হয়তো আমরা টাকা উপার্জনের সঠিক রাস্তাটা চিনতে ভুল করে অথবা  ধনী হওয়ার জন্য টাকা উপার্জন করতে গিয়ে বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে আর্থিক লোকসান হয় যার কারণে ধনী হওয়ার পরিবর্তে পরিস্থিতির উল্টোটি হয়ে যায়।

এমন পরিস্থিতি অনেকের জীবনে হয়ে থাকে ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা তাই আপনি যদি একজন মুসলিম হয়ে থাকেন তাহলে ইসলামের ধনী হওয়ার উপায় গুলো মহান আল্লাহতালার উপর বিশ্বাস রেখে চেষ্টা করে দেখুন।

তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক ইসলামে ধনী হওয়ার উপায় গুলো কি কি এবং ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার উপায় গুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ২১টি উপায়

আপনার মনের মধ্যে যদি ধনী হওয়ার ইচ্ছা থাকে, যদি ভেবে থাকেন যে অনেকেই অবৈধ পথে টাকা উপার্জন করছে আমিও  অবৈধ পথে টাকা ইনকাম করে সহজে ধনী হয়ে যাব তাহলে তার চিন্তা ভাবনাটা অবশ্যই ভুল। কারণ আপনি এই পরিস্থিতিতে যতটা সুখে আছেন অবৈধ উপায়ে ধন-সম্পদ অর্জন করে থাকলে কখনোই মানসিকভাবে শান্তি তো পাবেনই না-

বরং মনের মধ্যে সবসময় একটি আলাদা রকমের আতঙ্ক কাজ করবে তাই মানসিক ও সামাজিক শান্তি লাভের জন্য, আপনার ধনী হওয়ার ইচ্ছা থাকলে  ইসলামের ধনী হওয়ার উপায় গুলো ফলো করতে পারেন। ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার উপায় গুলোর মধ্য থেকে ইসলামে ধনী হওয়ার ২০টি উপায় আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

আরো পড়ুনঃ বিয়ের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস জেনে নিন

এই উপায়গুলোর মধ্য থেকে আপনার জীবন এবং পরিস্থিতির সাথে মানানসই যে কোন উপায়ে বেছে নিয়ে, ইসলামিক উপায়ে ধনী হওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।  মহান আল্লাহতালা ব্যবসাকে হালাল করেছে এবং এর মধ্যে প্রচুর বরকত দান করেছে তাই ব্যবসা হতে পারে আপনার ধনী হওয়ার উপায়  গুলোর মধ্যে প্রথম এবং প্রধান মাধ্যম।

কারণ শারীরিক পরিশ্রম করে চাকুরী করে ধনী  হওয়ার চাইতে ব্যবসা করে ধনী হওয়া অনেকটাই সহজ, আমরা আরো কিছু ধনী হওয়ার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।

ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ২১টি উপায়

ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার উপায় গুলোর মধ্যে উল্লেখিত এই বারটি ব্যবসা হালাল এবং ধনী হওয়ার জন্য কার্যকর হতে পারে আপনি ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হতে চাইলে হালালভাবে উল্লেখিত ব্যবসা গুলো করে ইসলামিক দৃষ্টিতে ধনী হয়ে যেতে পারেন।

ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার ১২টি ব্যবসাঃ

১। ফার্মেসি বা ওষুধের ব্যবসা। ওষুধের ব্যবসা খুবই লাভজনক তাই আপনি একটি বাজারে ভালো পজিশন দেখে যদি ওষুধের দোকান দিতে পারেন আর যদি একবার সেটেল হয়ে যান, তাহলে সেখান থেকে আপনি সহজেই ধনী হতে পারবেন।

ওষুধের দোকান লাভজনক হওয়ার কারণ হলো বর্তমান যুগে মানুষের অসুখ-বিসুখের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, তার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রোগ ব্যাধি তাই আপনি যদি  ওষুধের দোকান বাজারের একটি মোটামুটি ভালো পজিশনে দিতে পারেন তাহলে সেখান থেকে আপনার ভাগ্য পরিবর্তনের বড় সুযোগ রয়েছে,

২। আপনার বাড়ি যদি গ্রামে হয়ে থাকে তাহলে আপনার জন্য কিছু ব্যবসার আইডিয়া রয়েছে, বাংলাদেশে ৮০ ভাগ লোক গ্রামে বাস করে থাকে তাই গ্রামেও কিছু এমন ব্যবসা রয়েছে যেগুলো ঠিকমতো টার্গেট করে করতে পারলে সেখান সেই ব্যবসা করার মাধ্যমে  আপনি ধনী হয়ে যেতে পারেন।

গ্রামের সেই ব্যবসা গুলোর মধ্যে আরেকটি লাভজনক ব্যবসা হল রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকের ডিলারশিপ অথবা দোকান দেয়া।  কীটনাশকের ব্যবসায় এমন একটি ব্যবসা যেখানে আপনি প্রচুর টাকা লাভ করতে পারবেন এবং রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকের চাহিদা সারা বছরই থাকে কারণ এখন সব মৌসুমেই বিভিন্ন রকমের ফসল উৎপাদিত হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত সম্পর্কে জানুন

আর এই ফসল গুলিতে রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকের চাহিদা প্রচুর পরিমাণে রয়েছে যার কারণে আপনি এই ব্যবসাটিকে আপনার সফলতার লিস্টে রাখতে পারেন।

৩। আপনি বেকারি পণ্য উৎপাদন করেও খুব সহজেই আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করে ধনী হয়ে যেতে পারেন। আপনার বাড়ি গ্রামে হোক কিংবা শহরে যেখানেই হোক না কেন বেকারি পণ্যের চাহিদা সারা দেশের সবখানেই রয়েছে, তাও আবার খুবই ভালো পরিমাণে তাই আপনি যদি একটি  ছোট পরিসরে হলেও মানসম্মত বেকারি পণ্য উৎপাদন ব্যবসা করতে পারেন।

তাহলে এখানে প্রচুর সফলতা রয়েছে এই বেকারির ব্যবসা এমন একটি ব্যবসা যার পণ্য চাহিদা সারা বছর সব সময় থাকে তাই যদি আপনি এই ব্যবসাটা করতে পারেন তাহলে আপনার ধনী হওয়ার টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে এই বেকারির ব্যবসা।

৪। ফলের ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক, লোক সমাগম বেশি হয় এমন স্থানে বাজারের যেকোনো একটা ভালো পজিশন দেখে মানুষজনের উপস্থিতি যে জায়গাতে বেশি থাকে সেরকম স্থানে নির্বাচন করে সেখানে আপনি ফলের দোকান করতে পারেন।
ফলের ব্যবসায় ভালো পরিমাণে লাভ রয়েছে এবং  আর এই ব্যবসাতে আল্লাহ তায়ালার বরকত রয়েছে  আপনি যদি ফলের ব্যবসা করেন সেক্ষেত্রে আপনার ধনী হওয়ার একটা উপায় হতে পারে ফলের দোকান।
৫। ব্যবসা করার ক্ষেত্রে এমন একটি পণ্য নির্বাচন করুন যেটি নিত্য প্রয়োজনীয় যেমন কাঁচামালের ব্যবসা করা, এই কাঁচামাল মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মধ্যে একটি অন্যতম যার প্রয়োজন প্রতিনিয়তই তাই আপনি যদি কাঁচামালের ব্যবসা করেন সেক্ষেত্রে আপনার দোকানের কাস্টমার অনেক বেশি থাকবে এবং সঠিক নিয়মে ব্যবসা করতে পারলে আপনি কাঁচামালের ব্যবসা করেই ধনী হয়ে যেতে পারবেন।
৬। রেস্তোরার ব্যবসা রেস্তোরার ব্যবসায়ী কম টাকা ইনভেস্ট করলেই ভালো পরিবারের লাভের মুখ দেখতে পাওয়া যায়  এবং এই ব্যবসায় আপনি যদি  রেস্তোরাঁ পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে পারেন, আর একবার যদি আপনার পরিচিতি এলাকায় পেয়ে যায় সে ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা এখান থেকেই লাভ করা সম্ভব।
৭। আপনার বাড়ি  শহরে হোক কিংবা গ্রামে গ্রামের কিংবা শহরের বাজারের একটি ভালো পজিশনে আপনি চায়ের স্টল দিতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি এই চা স্টল থেকে ভালো পরিমাণে  টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর এই চায়ের  ভালো পরিমাণে লাভ হয়, স্টলের ব্যবসা করেই আপনি ধনী হয়ে যেতে পারেন।
৮। আতর,তসবি ও  টুপি দোকান। ধর্মীয় এই প্রোডাক্টগুলো যদি আপনি কোন মসজিদ কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সামনে এ ব্যবসাটি করেন সে ক্ষেত্রে আপনার বিক্রির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।  এবং আপনি ধৈর্য সহকারে এই আতর তসবি টুপির ব্যবসা চালিয়ে যেতে থাকলে
ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম  হবে এবং একবার এই ব্যবসায় ব্যবসায়ী নিয়মকানুন বুঝে ফেললে তখন আপনার লাভের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে যার কারণে আপনি এই ব্যবসা থেকেও ধনী হয়ে যেতে পারেন।
৯। কাঁচা মালের ব্যবসা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোন ডেলিভারির মতো ব্যবসা শুরু করতে পারেন, শুনতে খারাপ লাগলেও এই ব্যবসাটিকে প্রচুর পরিমাণে আর্থিক লাভ রয়েছে। বর্তমানে এখন মানুষ বাজারে যেতে অনেকটাই  বিরক্ত বোধ করে যে কারণে এই ব্যবসাটি ও আস্তে আস্তে একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়ে যাচ্ছে।
তাই আপনি যদি এই ব্যবসার মাধ্যমে একবার বিশ্বস্ততা অর্জন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে যে এলাকায় আপনি এই ব্যবসা শুরু করবেন সেই এলাকা থেকে আপনি এক সময় প্রচুর পরিমাণে অর্থ উপার্জন করার মাধ্যমে ধনী হয়ে যেতে পারেন।
১০। মুদিখানার দোকান  এমন সব পণ্য দ্বারা সজ্জিত থাকে যে এর ভেতরে নিত্য প্রয়োজনীয় সকল জিনিসপত্রই পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে আপনি যদি মুদিখানার দোকান দিতে পারেন।
আর যদি আপনার দোকানে যথেষ্ট পরিমাণে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে থাকে তাহলে এই ব্যবসা থেকেও আপনি প্রচুর টাকা লাভ করার মাধ্যমে ধনী হয়ে যেতে পারেন,  তাই আপনার মাইন্ড লিস্টে রাখতে পারেন এই ব্যবসাটি।
১১। আর যদি আপনি ছোট পরিসরে ব্যবসা করতে চান সে ক্ষেত্রে জনসমাগম বেশি হয় এরকম স্থানে ফাস্টফুড জাতীয় বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার এর চলমান দোকান করা। আপনি যদি এই ব্যবসায় একবার পরিচিতি অর্জন করতে পারেন এবং আপনার বানানো খাবার যদি সুস্বাদু এবং মুখরোচক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে থাকে
তাহলে আপনি প্রচুর কাস্টমার পাবেন আর এই ব্যবসাটিকে ভালো পরিমাণে আর্থিক লাভ রয়েছে এই ব্যবসাটি করার মাধ্যমেও আপনি ধনী হয়ে যেতে পারেন।
১২। অনলাইন ব্যবসা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এর মত অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের ব্যবসা আপনি করতে পারেন। আর এই স্মার্ট ব্যবসাটি আপনি বাড়িতে বসে করতে পারবেন, যেমন ধরুন আম, লিচু,  খাঁটি গুড়, খাঁটি মধু, এরকম জাতীয় আরো অন্যান্য  পণ্যের চাহিদা অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।
এই পণ্যগুলো যে আপনার কাছে থেকে কিনবে সেগুলো যেন ভালো মানের হয় সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। আর এর পণ্যগুলোর বিষয়ে একটি ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেয়ার মাধ্যমে আপনি একদিনে লক্ষ লক্ষ কাস্টমার পেয়ে যেতে পারেন।
আর আপনার পণ্যের মান যদি ভাল হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে আর বিজ্ঞাপন দেয়ার প্রয়োজন হবে না তখন এমনিতেই তারা আপনাকে সরাসরি ফোন করার মাধ্যমে অথবা আপনার হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা মেসেঞ্জারে যোগাযোগের মাধ্যমে আপনাকে খুজে নেবে।
আর এই অনলাইনে পণ্য ডেলিভারির ব্যবসা করেও প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব ব্যবসায় ভালো টাকা লাভ হলে আপনি ধনী হয়ে যেতে পারেন।

ইসলামে ধনী হওয়ার উপায়

রেস্টুরেন্ট  কফি শপ ব্যবসা। রেস্টুরেন্ট এবং কফি শপ এর ব্যবসা করে অনেক মানুষ ধনী হয়ে গিয়েছে, আপনি যদি দ্রুত ধনী হতে চান সেক্ষেত্রে এই ব্যবসাটি করেও দেখতে পারেন। এটি অত্যন্ত লাভজনক  ব্যবসা  আর এই ব্যবসা করতে রান্না সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও চলবে। কারণ  বর্তমান সময়ে এখন ভালো রাধুনী  রাঁধুনি নিয়োগ দিলে-
ইসলামে ধনী হওয়ার উপায়
ইসলামে ধনী হওয়ার উপায়
সে যদি ভাল রান্না করতে পারে সে ক্ষেত্রে আপনার দোকানের জন্য সুনাম অর্জন হবে আর একবার শোনার অর্জন করে ফেললে, সবচাইতে বড় লাভ হলো আপনি প্রচুর কাস্টমার পাবেন এবং সেখান থেকে আপনি ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন, যার ফলে আপনি ধনী হয়ে যেতে পারেন।
পোলাও এবং বিরানির ব্যবসা। পোলাও বিরানি সহ অন্যান্য খাবারের ব্যবসা করতে পারেন আর এই বিরানির চাহিদা বাজারে  প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। আর আপনি খেয়াল করে থাকবেন হয়তো এখনকার সময়ের জন্মদিন, ছোটখাটো বিয়ের অনুষ্ঠান, এবং আরো অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান লেগেই থাকে সেক্ষেত্রে এগুলো থেকেও আপনি ভালো পরিমাণে অর্ডার পাবেন।
 আর একবার পরিচিতি অর্জন করে ফেললে সে ক্ষেত্রে আপনি প্রচুর পরিমাণে অর্ডার পেয়ে যাবেন এবং এ থেকে প্রচুর পরিমাণে লাভ করা সম্ভব হয়, যার কারণে আপনি খুব দ্রুতই ধনী হয়ে যেতে পারেন।
ফটোকপি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা। প্রিন্ট ফটোকপি ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা সহ ফ্লেক্সিলোড এবং অন্যান্য বিষয়ে টাইপিং করে ও প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। যদি আপনার কম্পিউটার সম্পর্কে একটু ধারণা থাকে সে ক্ষেত্রে সেক্ষেত্রে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন,  এন আই ডি আইডি কার্ড সংশোধন, অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন
করে দেয়ার মত বিভিন্ন ধরনের কাজ লেগে থাকে আর আপনার দোকানটি যদি স্কুলের সামনে হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের প্রয়োজনীয় বই নোট  কলম সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুলো আপনার দোকানে রাখতে পারেন।
যার ফলে প্রচুর টাকা ইনকাম করা সম্ভব। আর এই কাজগুলোতে খুব কম পরিমাণে ইনভেস্ট করে আপনি প্রতিদিন ভালো টাকা ইনকাম করে ধনী হয়ে যেতে পারেন।
স্যান্ডেল এবং জুতার ব্যবসা। স্যান্ডেল এবং জুতার ব্যবসা  প্রচুর লাভজনক একটি ব্যবসা, কারণ আপনি যদি স্যান্ডেল অথবা জুতা পাইকারি বাজারে কিনতে যান  সেক্ষেত্রে খুচরা বাজারের তুলনায় দামের পার্থক্য দেখে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না।
কোন কোন ক্ষেত্রে এগুলি অর্ধেক দামও কম বেশি হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আপনি জুতা স্যান্ডেলের ব্যবসায় প্রচুর পরিমাণে লাভ  করা যায় যার ফলে আপনি ধনী হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যায়।
কসমেটিকসের দোকান। খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা  এই কসমেটিকসের ব্যবসা আপনি যদি পজিশন অনুযায়ী এই ব্যবসাটি  স্টার্ট করতে পারেন সর্বনিম্ন এক বছরের মধ্যে আপনার আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন  হতে শুরু করবে এবং আপনি ধীরে ধীরে ধনী হতে থাকবেন  এই কসমেটিকসের ব্যবসায় প্রচুর পরিমাণে আর্থিক লাভের সম্ভাবনা  রয়েছে ।

ইসলামে ধনী ৬টি আমল

মোনাজাতে আল্লাহতালার কাছে আল্লাহুম্মাকফীনী বি-হালালিকা আন-হারামিকা ওয়াআগনিণী বি-ফাদলিকা আম্মান সিওয়াক’ এই দোয়া পাঠ করা।  এই হাদিসটি মিরকাত শরীফে বর্ণনা করা হয়েছে এই দোয়া  নিয়মিত পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা আপনার রিজিকে বরকত দান করবেন এবং আপনার অভাব অনটন দূর করে আপনাকে ধনী করে দেবেন।
  • লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ  আলিউল আজিম জিকির করা।
  • আস্তাগফিরুল্লাহ এই জিকির বেশি বেশি করা।
  • সব সময়  ওযু অবস্থায় থাকা।
  • আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
  • হালাল রিজিক খাওয়া।
  • অন্যের হক নষ্ট না করা।
  • বিবাহ  করা।
  • আল্লাহর রাস্তায় দান করা।
  • দুঃস্থ অসহায় মানুষকে যথাসাধ্য সাহায্য করা।
  • হজ্জ্ব করা।
  • যাকাত প্রদান করা।
হাদিস দ্বারা স্বীকৃত এই ধনী হওয়ার দোয়া পাঠ করা,  নিয়মিত  “সুবাহানাল্লহী ওয়া বিহামদীহি সুবাহানাল্লহীল আজীমী ওয়া বিহামদীহি আসতাগফিরুল্লাহ ” এই দোয়া নিয়মিত পাঠ করলে ধনী হওয়া যায় বলে  হাদীস শরীফে বর্ণিত রয়েছে।
বিবাহ করলে ধনী হওয়া যায় এই কথা কুরআন ও হাদীসে এ ব্যাপারে বর্ণনায রয়েছে। তাই আপনি যদি  দরিদ্র অবস্থায় থাকেন এবং ধনী হতে চাইলে বিবাহ করা।
আপনি যদি ওযু করে পাপ পবিত্র অবস্থায় সব সময় থাকেন তাহলে রহমতের ফেরেশতা আপনার জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে রহমতের জন্য দোয়া করবেন এবং আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে আপনি  আপনি ধনী হয়ে যেতে  পারেন।
আল্লাহর রাস্তায় দান সদকা করলে ধন-সম্পদের পরিমাণ আল্লাহ তায়ালার রহমতে বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে তাই আপনি যদি দ্রুত ধনী হতে চান তাহলে আপনার সাধ্য অনুযায়ী দান-সদকা করতে হবে এবং নিয়মিত আপনার যে সম্পদ রয়েছে তার যাকাত প্রদান করতে হবে এবং জেনা ব্যভিচার থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখতে হবে।
আপনার যে সম্পদ রয়েছে সে সম্পদের মধ্যে থেকে হালাল উপায়ে আল্লাহ তায়ালার বিধান  এবং রাসূলের সুন্নাত অনুযায়ী যদি আপনি হজ করেন এবং হজের যথাযথ মর্যাদা ধরে রাখেন তাহলে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত আপনার ওপরে বর্ষিত হতে থাকবে, তখন আল্লাহতালার রহমতে আপনি ধনী হয়ে যাবেন।
মা বাবার সেবা করা। মা বাবার দোয়া সন্তানদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী  তাই সব সময় বাবা মার সাথে ভালো ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন এবং  তারা যেন মন থেকে দোয়া করে সেই আচার-আচরণ তাদের সাথে দেখাবেন
তারা যদি মন থেকে আপনার জন্য যে দোয়াই করবে মহান আল্লাহতালা সে দোয়া কবুল করে থাকেন। ধনী হতে চাইলে মা বাবার দোয়া সন্তানদের জন্য অত্যন্ত জরুরি, তাই আপনি যে কোন পরিস্থিতিতে মা-বাবার যত্ন নিতে ভুলবেন না।

সহজে ধনী হওয়ার তথ্য বললেন মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ভিডিও দেখুন

ইসলামে ধনী হওয়ার উপায় সম্পর্কে শায়খ আহমাদুল্লাহ আলোচনার ভিডিও দেখুন

FAQ | ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার উপায়

ধনী হওয়ার যিকির?
লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ  আলিউল আজিম জিকির করা। আস্তাগফিরুল্লাহ এই জিকির বেশি বেশি করা। আল্লাহুম্মাকফীনী বি-হালালিকা আন-হারামিকা ওয়াআগনিণী বি-ফাদলিকা আম্মান সিওয়াক’ এই দোয়া পাঠ করা।
তাড়াতাড়ি ধনী হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়?
বর্তমানে হালাল পথে ধনী হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো ব্যবসা করা, সেটা যে কোন হালাল ব্যবসা হতে পারে তাই আপনি যদি খুব দ্রুত ধনী হতে চান তাহলে অবশ্যই যে কোন হালাল ব্যবসা শুরু করতে হবে।

শেষ কথা 

প্রিয় পাঠক, ইসলামের ধনী হওয়ার ২১ টি উপায় সম্পর্কে আপনাদেরকে বিস্তারিত ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করছি ইসলামের দৃষ্টিতে ধনী হওয়ার উপায় গুলো ফলো করলে এবং সে অনুযায়ী আমল করলে আল্লাহতালার অশেষ রহমতে আপনি খুব দ্রুত ধনী হয়ে যাবেন।
আর একটা বিষয় সর্বদা খেয়াল রাখবেন অবশ্যই মানুষের মনে কষ্ট লাগে এরকম কাছ থেকে বিরত থাকবেন। মা বাবার প্রতি যত্নবান হবেন এবং এতিমদের প্রতি ভালোবাসা দেখাবেন এবং অসহায় মানুষদের যথাসাধ্য সাহায্য করার চেষ্টা করবেন,
তাহলে মহান আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের ভালোবাসা পাবেন। আজকের এই আলোচনা আপনাদের ভালো লেগে থাকলে কেউ জনদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন ধন্যবাদ
পোস্ট ট্যাগ-
৪০ দিনে ধনী হওয়ার আমল, ধনী হওয়ার যিকির, ধনী হওয়ার লক্ষণ, ধনী হওয়ার দরুদ, তাড়াতাড়ি ধনী হওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়, ধনী হওয়ার সূরা, রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার দোয়া, ধনী হওয়ার তাবিজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

call: "+8801752255733", // Call phone number email: "masud84905@gmail.com", // Email link: "https://www.banglablogg.com", // Link