৪০ দিন তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত সম্পর্কে জানুনবিয়ে নিয়ে কোরআনের আয়াত রয়েছে এবং বিয়ে নিয়ে হাদিস থেকে আমরা মহান আল্লাহ তাআলার বর্ণনা সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা লাভ করতে পারব ইনশাল্লাহ।পবিত্র কুরআনের মানুষ কেন বিয়ে করে বিয়ের নির্দেশনা সম্পর্কে কি বলা হয়েছে? বিবাহ মানুষের জন্মগত অধিকার।জন্ম মৃত্যু বিয়ে এর তিন বিষয়েই প্রকৃতির আওতাভুক্ত বিবাহ প্রত্যেক মানুষের জন্য একটি
বিয়ে নিয়ে কোরআনের আয়াত
পোস্ট সূচিপত্রপ্রাকৃতিক নিয়মের মতো এ থেকে যে সব ভালো ফল পাওয়া যায় তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিবাহের মাধ্যমে একটি পরিবারের সৃষ্টি হয়, যা মানুষকে মানসিক শান্তি ও স্থিতি দেয়।
যে বিয়ে করেনি তার অবস্থা হল নীড় হারা পাখির মত জীবনের উদ্যমতাকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বিবাহ একটি আশ্রয় কেন্দ্রের কাজ করে। জীবনসঙ্গী নির্বাচিত করে সুখ দুঃখ কে ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য এটি হলো এক মহৎ মাধ্যম।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক, আজকে আমরা মানুষের বিয়ে করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করব এবং বিয়ের গুরুত্ব কতটুকু সে বিষয়ে আপনাদেরকে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করব।পবিত্র কোরআনে বিয়ের নির্দেশনা সম্পর্কে কি বলা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।আশা করছি আজকের এই আলোচনা থেকে বিয়ে করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

মানুষ কেন বিয়ে করেন

মানুষ কেন বিয়ে করেন এই কথাটা লিখে অনেকেই গুগলে সার্চ করে থাকে। আসলে এর কারণগুলো জানাও দরকার আছে। বিয়ে হচ্ছে প্রাকৃতিক শারীরিক চাহিদা একটি জোরালো এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শারীরিক চাহিদা তৃপ্তি লাভ করার জন্য একজন জীবনসঙ্গী প্রয়োজন হয়। যারা বিবাহকে এড়িয়ে যায় তারা শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতার শিকার হয়।যুব সমাজের বিয়েতে অনীহা কিছু কিছু অস্থিরতা ও সামাজিক সমস্যারও সৃষ্টি করে থাকে।

আরো পড়ুনঃ বাড়িতে গ্যাসের চুলায় কিভাবে পিজ্জা বানিয়ে নিতে পারবেন বিস্তারিত টিপস

বংশবিস্তার বিবাহের মাধ্যমে মানবতার প্রবাহমানতা বজায় থাকে এর অন্যতম পরিণতি সন্তান উৎপাদন আর পরিবারের ভিত্তিকে তাই করতে সন্তানদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেই সাথে সন্তান মা বাবার জন্য প্রকৃত আনন্দের উৎস হিসেবে কাজ করে বিবাহ এবং সন্তান জন্মদান কে পবিত্র কোরআন এবং হাদিসের খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখা হয়েছে।

বিয়ে নিয়ে কোরআনের আয়াত

পবিত্র কুরআনে বিয়ে নিয়ে কোরআনের আয়াত থেকে বর্ণিত আয়াত সমূহ দ্বারা আপনাদের জানাবো ইনশাল্লাহ।মানব জীবনের প্রয়োজনীয় প্রায় সব বিষয়ই পবিত্র কোরআনে গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।

বিয়ের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্ব ও তৎ প্রসঙ্গের যাবতীয় নিয়মাবলী ইসলাম তথা কোরআন হাদিসে এক বিশেষ স্থান লাভ করেছে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বিয়েতে তার আদর্শ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এ থেকে বিমুখ ব্যক্তিকে তার   আদর্শ বিরোধী বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

পবিত্র কোরআন মাজিদে বিয়ের আলোচনায় যে সকল আয়াত বিবৃত হয়েছে, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিষয় ভিত্তিকভাবে প্রদত্ত করা হলো,আল্লাহ পাকের কুদরতের একটি নিদর্শন হল, তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তাদের নিকট শান্তি স্বস্তি লাভ করো।

আরো পড়ুনঃ আপনার শরীর দুর্বল থাকছে কোন ভিটামিনের অভাবে তা বিস্তারিত জানুন

আর তিনি তোমাদের মাঝে প্রেম-প্রীতি ও মায়া-ভালোবাসা দান করেন। নিশ্চয়ই এদের চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।” (সূরাঃ রুম আয়াতঃ ২১) বিয়ের পর বছর ঘুরতে না ঘুরতে স্বামী-স্ত্রী স্বপ্ন দেখেন তাদের সন্তানকে কেন্দ্র করে। সন্তান যদি হয় আদর্শবান নেককার তাহলে তা হয় মা-বাবার জন্য প্রশান্তিময় কল্যাণকর।

সেরকম চোখ জুড়ানোর স্ত্রী ও সন্তান কামনা করে।দোয়া করার জন্য পবিত্র কোরআন শিক্ষা দিচ্ছে, আর যারা বলে, হে আল্লাহ আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে খোদাভীরুদের জন্য আদর্শ স্বরূপ করুন (সূরাঃফুরকান আয়াতঃ ৭৪)জীবন মাত্রই যৌন চাহিদা রাখে, আর তা পূরণের জন্য পথ খুঁজতে থাকে।

আরো পড়ুনঃ banglalink এর সুপার internet package গুলো কিনুন কম টাকায়

মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত বলে যেখানে সেখানে যৌন চাহিদা পূরণ করতে পারে না। তার জন্য প্রয়োজন এমন একটি বৈধক্ষেত্র যেখানে সে বিধিবদ্ধতার আওতায় চাহিদা পূরণ করবে। সেই ক্ষেত্রটি হল তার বৈধ স্ত্রী। আল কুরআনের ভাষায়,সফলকাম মুমিন তারা যারা তাদের লজ্জাস্থানকে সংযত রাখে।

তবে তাদের স্ত্রী ও মাখলুকাতের কথা আলাদা এক্ষেত্রে তারা তিরষ্কৃত হবে না কিন্তু এদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে কেউ কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। (সূরা আল  মুমিনুন আয়াতঃ ৫-৭) 

সর্বশক্তিমান আল্লাহতালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন তার নির্দেশসমূহের মধ্যে রয়েছে যে তিনি তোমাদের মধ্যে থেকে তোমাদের জন্য সাথী সৃষ্টি করে রেখেছেন বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন ইসলামে বিবাহের মতো আর কোন পবিত্র কাঠামো গড়ে ওঠে নাই। ইমাম আলী (আঃ) বলেছেন বিয়ে করো কারণ

-বিয়ে হলো আল্লাহর নবী (সাঃ) এর সুন্নাত বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন যারা আমার পথ অনুসরণ করতে চায় তারা যেন বিবাহ করে এবং বিবাহের মধ্য দিয়ে তাদের বংশধর তৈরি করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি করে যেন পুনরুত্থানের দিন আমার বৃহৎ উম্মাত জাতি অন্য উম্মাহ এর জাতি মোকাবেলা করতে পারে।

ইমাম রেজা আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একজন পুরুষের জন্য সবচাইতে বড় সম্পদ হলো একজন ঈমানদার নারীকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পাওয়া, যে নারী সেই পুরুষটিকে যখনই দেখবে তখনই সুখী হয়ে উঠবে এবং তার অবর্তমানে তার সম্পদ ও সম্মান রক্ষা করবে।

আরো পড়ুনঃগ্রামীণফোনের ইন্টারনেট অফার এর বিস্তারিত

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা কেবল বিবাহের জৈবিক ও বস্তুগত দিকের কথা বলেছি সঙ্গী বাসের ফলে বা বংশবিস্তারের ফলে যে সব ভালো ফল পাওয়া যায় সেগুলো মানুষ বা পশু উভয়ের জন্যই সমান কিন্তু মানব সমাজের সত্যিকার অর্থে বিবাহের অর্থ কিছুটা ভিন্নতর মানুষ এই পৃথিবীতে কেবলমাত্র খেতে, পান করতে, ঘুমাতে অথবা 

-হাসি কৌতুকে মেতে থাকতে এবং তারপর মরে গিয়ে ধ্বংস হয়ে যেতেই আসেনি। এগুলো ছাড়াও মানুষের করার জন্য একটি বৃহৎ কর্মক্ষেত্র রয়েছে, মানুষকে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সৎ কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে এবং সদাচরণের মাধ্যমে নিজের দেহ ও আত্মাকে বিকশিত ও পরিপুষ্ট করে তুলতে বলা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ আপনার জন্ম নিবন্ধন ঠিক আছে কিনা তা সহজে যাচাই করুন মোবাইল দিয়ে

মানুষকে সেই পথ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে, যা তাকে মহান আল্লাহর কাছাকাছি নিয়ে যাবে মানুষ এই উদ্দেশ্যে সৃষ্টি হয়েছে যেন আত্মাকে পরিশুদ্ধতার মাধ্যমে এবং ভালো ব্যবহারের  মধ্য দিয়ে সে নিজেকে এমন একটা পর্যায়ে উন্নীত করতে পারে। যেখানে ফেরেশতারাও পৌঁছাতে পারে না।

মানুষ একটি অলৌকিক সৃষ্টি  এই পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছে এজন্য যে পার্থিব জীবনে এবং পরকালের জীবনে  সুখকে নিশ্চিত করার জন্য আল্লাহর নবীর নির্দেশিত ধর্মের (ইসলামের) পথে চালিত হয়ে যেন কেয়ামতের পর শান্তিময় জীবনে বসবাস করতে পারে। এজন্যই বিবাহের উদ্দেশ্যে নির্ধারণ করতে হবে।

আত্মিক দিক থেকে একজন ধার্মিক লোকের কাছে বিবাহের উদ্দেশ্য হল অসৎ কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং আত্মাকে পাপ থেকে বিমুক্ত করা এটা তার কাছে আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি পথ। এই অর্থে যে একজন ভালো উপযুক্ত সঙ্গী ইবাদতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিয়ে নিয়ে হাদিস

বিয়ে নিয়ে হাদিস সম্পর্কে অনেকে জানতে চাই, হাদিসে মহান আল্লাহ এবং আল্লাহ তায়ালার রাসূলের বহু মূল্যবান যুক্তি এবং নির্দেশ রয়েছে।এর মধ্য থেকে কয়েকটি বর্ণিত করা হলো,যখন দুজন ঈমানদার নারী পুরুষ

তাদের বিবাহের মাধ্যমে একটা পরিবার গঠন করে, তখন তাদের যৌন সম্পর্ককে তাদের পারস্পরিক ভালোবাসা এবং  সহ হৃদয়তাকে শক্তিশালী করে। এই জুটির জন্য কোন ধরনের কাম বিকৃতির ভয়াবহ আসক্তি কিংবা

আরো পড়ুনঃ সরিষা ফুলের মধুর আশ্চর্যজনক  উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

-অনৈতিক আচরণের ক্ষেত্র তৈরি হয় না। আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এবং ইমাম (আঃ)গণবিবাহের ভিত্তিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছেন। নবী করীম (সাঃ) বলেছেন যে বিবাহ করলো সে তার ধর্মের অর্ধেক রক্ষা করল। ইমাম সাদিক (আঃ) বলেছেন বিবাহিত ব্যক্তির ২ রাকাত নামাজ আদায় অবিবাহিত ব্যক্তির ৭0 রাকাত নামাজের চাইতে উত্তম মর্যাদাপূর্ণ।

জীবনের জন্য একজন ঈমানদার ধার্মিক ও সহমর্মী জীবনসঙ্গী অত্যন্ত মূল্যবান ভূমিকা পালন করতে পারে। ব্যক্তির জন্য মন্দ কাজ পরিহার পরিহার্য ধর্মীয় বিধি-নিষেধ ও ইবাদত করার ক্ষেত্রেও এহেন সঙ্গী খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্বামী স্ত্রী উভয়ই যদি ধার্মিক হয় তাহলে তাদের পক্ষে যে ধর্মীয় লক্ষ্য অর্জনে নির্বিঘ্নে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়,শুধু তাই নয়

-এ ব্যাপারে তারা একে অপরের প্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। এটা কি কখনো সম্ভব সে একজন ঈমানদার আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে তার স্ত্রী সমর্থন ছাড়া? একজন ধার্মিক পুরুষের পক্ষে কি সৎ পথে জীবিকা অর্জন ধর্মীয় সকল দিক মেনে চলা সকল প্রকার ধর্মীয় বিধিবদ্ধ দান খয়রাত করা বা তাকে অনেক অপচয় থেকে বিরত রাখে এবং যেকোনো কাজে

-অর্থ ব্যয় করা কি তার স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া সম্ভব? একজন ধার্মিক ব্যক্তি সবসময়ই তার সঙ্গীকে ভালো কাজের দিকে উৎসাহিত করে, ঠিক যেমনভাবে একজন অসৎ ব্যক্তি তার সঙ্গীকে অসৎ পথে চালানোর জন্য উপলব্ধ করে এর থেকে অতঃপর এটাই যুক্তিসঙ্গত যে যারা পরস্পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চাইবে তারা তাদের ভবিষ্যৎ অংশীদারের মধ্যে

আরো পড়ুনঃ অল্প টাকায় কিভাবে বান্দরবান ঘুরে আসা যায় সে বিষয়ে থাকছে পরামর্শ

-খোদাভীতি ও সদাচরণে অপরিহার্য পূর্ব শর্ত হিসাবে গণ্য করবে।নবী করীম (সাঃ) বলেছেন যদি আমি এই দুই জগতের মধ্যে একজন মুসলমানকে ভালো কিছু দিতে পারতাম আমি তাকে একটি বিনীত হৃদয় দান করতাম, একটি জিহ্বা দিতাম যা অনবরত আল্লাহর প্রশংসা করবে এমন একটি শরীর দিতাম যা

-সকল দুর্ভোগ সহ্য করতে পারে এবং তাকে দিতাম একজন ধার্মিক সঙ্গিনী যে তাকে (পুরুষটিকে) দেখবে তখনই সুখী হয়ে উঠবে এবং তার অবর্তমানে তার (পুরুষটির)সম্পদ এবং নিজের সম্পদ রক্ষা করবে।

বিয়ের জন্য মেয়ে কিভাবে পছন্দ করব?

বিয়ের জন্য মেয়ে কিভাবে পছন্দ করব? এটি যদি আপনার চিন্তার কারণ হয়ে থাকে তাহলে তার সমাধানের জন্য এই উত্তরগুলো আপনার জন্য যথেষ্ট হবে বলে আশা করছি। কিভাবে এবং ছেলে নির্বাচন করবেন কিভাবে এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনের আয়াত থেকে তার সমাধান জেনে নেব ইনশাল্লাহ।
যা থেকে আপনারা বুঝে যাবেন আশা করছি, পাত্র নির্বাচনে যেমন পাত্রের ধার্মিকতা সচ্চরিত্র তা ও সচ্ছলতার প্রতি খেয়াল রাখা হয।তেমনি পাত্রী নির্বাচনে কিছু গুণাবলীর দিকে লক্ষ্য করতে হয়।রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সহধর্মিনী গান কে উদ্দেশ্য করে আল্লাহতালা এরশাদ করেন।
যদি তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)তোমাদের ত্যাগ করেন তাহলে আশা করা যায়, তার পালনকর্তা তোমাদের পরিবর্তে তাকে তোমাদের চেয়ে ভালো স্ত্রী দান করবেন। যারা হবেন অনুগত্য,ঈমানদার,অল্পে তুষ্ট, তওবাকারিনী, ইবাদতকারীনি ও রোজাদার উপকারী কিংবা কুমারী। (সূরা আত-তাহরিন আয়াত-৫) নিশ্চয়ই মুসলমান পুরুষ ও মুসলমান নারী
-মমিন ও মোমেনা নারী অল্পতেই সন্তুষ্ট নারী সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী ধৈর্যশীল পুরুষ ও ধৈর্যশিলা নারী বিনীত পুরুষ ও বিনিতা নারী, দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী, রোজা পালনকারী পুরুষ ও রোজা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাজতকারী পুরুষ ও যৌনাঙ্গ সংরক্ষণকারিনী নারী, আল্লাহর জিকিরকারী পুরুষ ও জিকির কারিণী নারী,
তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত করে রেখেছেন ক্ষমতা ও মহাপুরুষ (সূরা-আহযাব-আয়াত-৩৫)তবে আধুনিক যুগে দেখা যায়, পাত্রী পছন্দে আলট্রা মডার্ন স্মার্ট ফ্যাশন প্রিয় নারীদের কে খোঁজা হয়। যাদের অনেকেরই চরিত্রের ঠিক থাকে না, প্রকাশ্যে অপ্রকাশ্যে খারাপ কাজে লিপ্ত। এসব নারীকে পাত্রী হিসেবে পছন্দ করার ভিন্ন মানসিকতা ও পুরুষের
-সম্পর্কে কোরআন মাজিদে ঘোষণা করেছেনঃ জিনাকারিনী,  ব্যভিচারী, পুরুষ ব্যভিচারিনী জেনাকারিনী নারী বা মুশরিক নারীকে বিয়ে করতে পারে। এসব নষ্ট নারীকে ভালো ঈমানদার পুরুষের জন্য বিয়ে করার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব ক্ষেত্রে সাধারণত ভালো পুরুষের যাওয়া উচিত নয়।
যদি কখনো তারা তাদের খপ্পরে পড়ে যায় তাহলে তার ফলাফল বড়ই করুন হয়। তবে কেউ তওবা করলে এবং সংশোধন হতে চাইলে তা ভিন্ন কথা (সূরা-নূর-আয়াত-৩) কোন ধরনের পাত্র পাত্রী কাদের জন্য এর মীমাংসায় পবিত্র কোরআনে আরো ইরশাদ হয়েছে। দুশ্চরিত্রা নারীরা দুশ্চরিত্র পুরুষদের জন্য
-আর দুশ্চরিত্র পুরুষরা দুশ্চরিত্রা নারীদের জন্য বরাদ্দ। পক্ষান্তরে সৎ চরিত্রা নারীরা সৎ চরিত্র পুরুষদের জন্য আর সর্বচিত্র পুরুষরা সৎচরিত্রা নারীদের জন্য। (সূরা-নূর আয়াতঃ ২৬)। 

ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ে করার উপকারিতা অনেক, এক ব্যক্তি নবী করীম (সাঃ) এর কাছে এসে বললেন। আমার এমন একজন স্ত্রী আছে যে সব সময় আমার গৃহে আমাকে স্বাগত জানাই, যখনই আমি ঘরে ফিরি এবং যখন আমি ঘর থেকে বের হই তখন আমাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দেয়। যখন সে আমাকে অসুখী এবং দুঃখ ভারাক্রান্ত দেখে

-তখন সে সান্ত্বনা দিয়ে বলে যদি তুমি জীবিকা নির্বাহের কথা চিন্তা কর তুমি হতাশ হয়ো না, কেননা আল্লাহই জীবিকা দান করেন যদি তুমি আখেরাতের কথা চিন্তা করো তাহলে আল্লাহ যেন তোমার বুদ্ধি বৃদ্ধি ও সামর্থ্যকে বাড়িয়ে দেন। এ কথা শুনে নবী করীম (সাঃ) বলেন নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সকল কাজ সমাধান করার জন্য এই পৃথিবীতে ভারপ্রাপ্ত ও কর্ম

-প্রতিনিধিদের পাঠিয়েছেন এবং তোমরা স্ত্রী তাদের মধ্যে একজন এরকম একজন স্ত্রী একজন শহীদের অর্ধেকের সমান পুরস্কৃত হবে। ইমাম আলী (আঃ) একই মনোভাব পোষণ করতেন যখন তিনি হযরত যাহারা সালামের প্রসঙ্গে বলেছিলেন তিনি বলেছেন যে সর্বশক্তিমান আল্লাহকে পাওয়ার জন্য তার স্ত্রী তার সবচাইতে বড় সাহায্যকারী।

ইতিহাস থেকে এই তথ্য পাওয়া যায় যে ইমাম আলী (আঃ) এর বিবাহের একদিন পর হযরত (আঃ) কে জিজ্ঞেস করেন সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইবাদত করার জন্য যাহারা কে সর্ব উত্তম সাহায্যকারী হিসেবে পেয়েছি ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ নারীকে উপস্থাপন এবং বিবাহের মূল উদ্দেশ্য ব্যাপ্ত করেন।

মানুষ কেন বিয়ে করে?

মানুষ কেন বিয়ে করে সে সম্পর্কে মহান আল্লাহতালা কি বলেন তা জেনে নেয়া যাক।আর তিনি (আল্লাহ) তোমাদের মাঝে প্রেম-প্রীতি ও মায়া-ভালোবাসা দান করেন। নিশ্চয়ই এদের চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।” (সূরাঃ রুম আয়াতঃ ২১)

বিয়ের গুরুত্ব কেন?

বিয়ের গুরুত্ব কেন এই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পেতে এই হাদিসটি বর্ণিত করা, হলোআমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এবং ইমাম (আঃ)গণবিবাহের ভিত্তিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছেন।
নবী করীম (সাঃ) বলেছেন যে বিবাহ করলো সে তার ধর্মের অর্ধেক রক্ষা করল। ইমাম সাদিক (আঃ) বলেছেন বিবাহিত ব্যক্তির ২ রাকাত নামাজ আদায় অবিবাহিত ব্যক্তির ৭0 রাকাত নামাজের চাইতে উত্তম মর্যাদাপূর্ণ।

বিয়ে না করে কি জীবন কাটানো যায়?

আপনার প্রশ্ন যদি থাকে বিয়ে না করে কি জীবন কাটানো যায়? তাহলে আপনার জন্য এই হাদিসটি যথেষ্ট। বিবাহ না করে জীবন কাটানো কে (ইসলাম) সমর্থন করে না। যারা বিবাহকে এড়িয়ে যায় তারা
শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতার শিকার হয়।যুব সমাজের বিয়েতে অনীহা কিছু কিছু অস্থিরতা ও সামাজিক সমস্যারও সৃষ্টি করে থাকে। আল্লাহ পাকের কুদরতের একটি নিদর্শন হল, তিনি তোমাদের
মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তাদের নিকট শান্তি স্বস্তি লাভ করো।আর তিনি তোমাদের মাঝে প্রেম-প্রীতি ও মায়া-ভালোবাসা দান করেন। নিশ্চয়ই এদের চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।” (সূরাঃ রুম আয়াত(সূরাঃ রুম আয়াতঃ ২১)।

People also ask:

ছেলেদের কত বছর বয়সে বিয়ে করা ফরজ?
ছেলেদের বয়সন্ধিকালের সময় সাধারণত ১৩ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুরু হয়। বয়সন্ধিকাল শেষে শারীরিক পরিণততা অর্জিত হয় ১৭ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে বিয়ে করে নেওয়া চরিত্র রক্ষার জন্য উত্তম।
পুরুষের বিয়ে না করা কি হারাম?
আপনি যদি নিজের চরিত্র রক্ষা করতে পারেন সে ক্ষেত্রে বিবাহ থেকে বিরত থাকা হারাম নয় কিন্তু যদি আপনি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হন তাহলে তো আপনি হারাম সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার ফলে আপনার জীবন যাপন ও হারাম হয়ে যাচ্ছে।তাই বিবাহ করে নেয়ায় আল্লাহতালার পছন্দনীয় কাজ।
বিয়ে না করে কি সুখে থাকা যায়?
আল্লাহতালা মানুষকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যেন তার সঙ্গী থাকলে তার মনের সুখী অনুভূতি হয়। তাই আপনি যদি বিয়ে না করতে চান তাহলে আপনার মনে সেই সুখ অনুভূত হবে না এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে বিয়ে না করে মানুষ প্রকৃত ভাবে সুখে থাকতে পারেনা।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক, আজকে আমরা বিবাহ সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা করেছি বিয়ে করার ভালো দিক, বিয়ে না করার মন্দ দিক সম্পর্কে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা এ বিষয়গুলো থেকে অনেক ধারণা নিয়ে উপকৃত হবেন। এরকম তথ্য বহুল আর্টিকেল আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে থাকে। নিয়মিত ভিজিট করার অনুরোধ রইলো।
পোস্ট ট্যাগ-
বিয়ে নিয়ে আয়াত ও হাদিস,বিয়ে নিয়ে ইসলামিক উক্তি,বিয়ের বয়স নিয়ে হাদিস,আন নিকাহু মিন সুন্নাতি হাদিস,বিয়ে করা কি ফরজ,বিয়ে কি ভাগ্যে লেখা থাকে,বিবাহের খুতবা হাদিস,বিয়ে নিয়ে ইসলামিক উক্তি,জীবনসঙ্গী নিয়ে কোরআনের আয়াত,বিয়ে কি আল্লাহর হাতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

call: "+8801752255733", // Call phone number email: "masud84905@gmail.com", // Email link: "https://www.banglablogg.com", // Link