লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায় ও কিভাবে ঘুমালে লম্বা হওয়া যায়লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায় ও কিভাবে ঘুমালে লম্বা হওয়া যায়
লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায় ও কিভাবে ঘুমালে লম্বা হওয়া যায় এ বিষয়গুলো অনেকের জানার আগ্রহ আছে। হ্যাঁ কিছু বৈজ্ঞানিক উপায় লম্বা হওয়ার যায় সে বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোচনায় জানতে পারবেন লম্বা হওয়ার কিছু কার্যকর উপায় সম্পর্কে।
লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায়
লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায়

কোন ধরনের কোন সাপ্লিমেন্ট খেয়েও মানুষ লম্বা হতে পারবে?মানুষের লম্বা হওয়ার ব্যাপারে বেশ কিছু ধারনা প্রচলিত আছে আমাদের সমাজে অনেকে জানার আগ্রহ আছে এ কথাগুলো কতটুকু সত্য এবং বিজ্ঞানসম্মত।

Table of Contents

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলটি থেকে আমরা জানবো মানুষের লম্বা হওয়ার প্রসেসটা আসলে কি কোনভাবেই একজন মানুষকে কি সেই যতটুকু লম্বা হওয়ার কথা তার চাইতে বেশি লম্বা হওয়া সম্ভব কিনা অথবা কেউ চাইলে কি কোন সাপ্লিমেন্ট খেয়ে লম্বা হতে পারবে কিনা আমাদের লম্বা হওয়ার প্রসেস আসলে শুরু হয় কোথায় থেকে।

হাটু থেকে? নাকি গোড়ালি থেকে? নাকি মেরুদন্ড থেকে? অনেক প্রশ্নই আমাদের মনে হয়তো ঘুরপাক খাই।আসলে আধুনিক বিজ্ঞানের মতে আমাদের লম্বা হওয়ার প্রসেস শুরু হয় আমাদের ব্রেন থেকে আজকে আমরা এই আর্টিকেলটি থেকে জানতে পারবো আসলে মানুষের লম্বা হওয়ার প্রসেস কোথা থেকে শুরু হয়।

আর্টিকেলটি পড়লে আশা করছি আপনাদের মনের সমস্ত ভুল ধারণা দূর হয়ে যাবে এবং আপনি জানতে পারবেন লম্বা হওয়ার প্রসেসটা আসলেই কোথা থেকে শুরু হয়।

২০ বছরের পর লম্বা হওয়ার উপায়

২০ বছরের পর লম্বা হওয়ার উপায় অনেকেই এই বিষয়টা লিখে গুগলে সার্চ করে থাকি আসলে কি ২০ বছরের পর লম্বা হওয়ার কোন উপায় আছে? আসলে আমাদের লম্বা হওয়ার প্রচেষ্টা শুরু হয় ব্রেনে বা ব্রেন থেকে।বিষয়টা শুনে অনেকটা অবাক লাগলেও এটাই কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত কথা,চলুন বুঝিয়ে বলি ব্রেনে একটা গ্ল্যান্ড থাকে যার নাম হচ্ছে পিটুটারি ল্যান্ড।
২০ বছরের পর লম্বা হওয়ার উপায়
২০ বছরের পর লম্বা হওয়ার উপায়
 

আরো পড়ুনঃ শরীর গরম থাকার লক্ষণ গুলো জেনে নিন 

 
আর এই পিটুটারি গ্ল্যান্ড গ্রোথ হরমোন রিলিজ করে এই গ্রোথ হরমোন যখন রক্তের সাথে ভাসতে ভাসতে লিভার পর্যন্ত যাই লিভারে আবার গ্রোথ হরমোন রিসিপ্টা থাকে। কল্পনা করতে পারেন একটা তালার সাথে তালা যেমন কোন নির্দিষ্ট একটা চাবি ছাড়া খোলে না নিজের চাবি দিলেই ও খুলে এবং পরবর্তী কাজটি আপনি করতে পারেন 
 
ঠিক তেমনি লিভারের এই গ্রোথ হরমোন রিসেপ্টর এর সাথে যখন ব্রেন থেকে আসা গ্রোথ হরমোন বাইন্ড করে তখন পরের কাজটা শুরু হয়। তাহলে পরের কাজটা কি? INSULIN LIKE GROWTHFACTOR 1 অথবা সংক্ষেপে বলতে পারেন IGF 1 তৈরি হয়। এই IGF1 আমাদের লম্বা করে চলুন আলোচনা করি কিভাবে লম্বা করে।
 
তবে এই IGF 1 কে আমাদের মনে রাখতে হবে পরবর্তীতে আবারও এই IGF 1  নিয়ে আলোচনা আছে। আমরা অনেকেই মুরগির হাড় চিবিয়ে খেতে পছন্দ করি,হাড়ের মাথায় যে সাদা একটা জায়গা থাকে যেটা কিনা কটকট সাউন্ড হয়, এই জায়গাটার নাম হচ্ছে CARTILAGE এ জায়গাটা শুধু মুরগি কিংবা গরু ছাগলের না এটা মানুষেরও থাকে।
 
শিশুদের ক্ষেত্রে কিংবা কম বয়সিদের ক্ষেত্রে এই লম্বা হাড়ের কটকট করা জায়গার পাশে আরও একটি জায়গা থাকে।আপনি যদি কখনো খাসির নেহারি খেয়ে থাকেন তাহলে খেয়াল করবেন, হাড়ের মাথায় কামড় দিলে অনেক সময় এক টুকরো হার ছুটে চলে আসে এবং হাতের মধ্যে যে হাড়টা থেকে যায়, সেখানে দেখা যায় খাঁজ কাটা খাঁজ কাটা এবং সেটা একটু কালো রঙের,
 

আরো পড়ুনঃ শরীরের গরম কমানোর উপায় জেনে নিন

 
লম্বা হাড়ের মাথা থেকে ছোট অংশটা ছুটে আসার কারণ হচ্ছে এটা যুক্ত ছিল কাটি লেজ দিয়ে,যেটা আসলে শক্ত হাড় না এটা খেলে কটকট সাউন্ড করে। অংশটার নাম হচ্ছে GROWTH PLATE বা এপিফিসিয়াল প্লেট এখান থেকেই নতুন হাড়ের তৈরি হয়, যার ফলে মানুষ লম্বা হয়। এখন আসা যাক ওইযে লিভারে IGF1 তৈরি হয়েছিল
 
ওই IGF1 যখন GROWTH PLATE এ আসে আর GROWTH PLATE এর মধ্যে তো কোষ থাকে, আর আমাদের শরীরের সবকিছুই তো কোষ দিয়ে তৈরি আর এই GROWTH PLATE এর কোসকে STIMULATE করতে পারে। IGF1 ফলে যা হয় প্রচুর পরিমাণে GROWTH PLATE এই জায়গাটাতে নতুন কোষের তৈরি হয়।
 
তো যখন অনেক বেশি তৈরি হচ্ছে এই কোষ গুলো যাবে কোথায় প্রতিনিয়ত যদি নতুন কোষ তৈরি হতে থাকে। তখন আগের কোষগুলো আস্তে আস্তে হাড়ের দিকে যেতে থাকবে এই পথে আসতে আসতে তারা শক্ত হতে থাকে এবং বাড়তে থাকে ওদিকে IGF1 এর কারণে তো প্রতিনিয়ত নতুন কোষ তৈরি হচ্ছে তাহলে এত কোষ কোথায় যাবে?
 
যেটা হয় উপরের কোষগুলো আস্তে আস্তে উপরের দিকে চাপ দিতে থাকে আরও নতুন কোষ তৈরি হয় তারা আবার উপরে উঠে তারা আবার উপরের গুলোকে চাপ দেয় এরকম করতে করতে আমাদের হাড় বড় হতে থাকে আর এই কারণেই আমরা লম্বা হই।আর এখন কথা হচ্ছে এই অবস্থা যদি একজন মানুষের চলতেই থাকে
 
তাহলে তো সে কন্টিনিউয়াসলি লম্বা হতে থাকবে তখন দেখা যাবে হয়তো একজন মানুষ দুই তলা কিংবা তিন তলা পর্যন্ত লম্বা হয়ে গেছে কিন্তু সেরকম তো হয় না।কিন্তু কেন হয় না তার কারণ কি? উত্তর হচ্ছে একটা সময় পরে গিয়ে যে GROWTH PLATE কথা বলেছিলাম, এই GROWTH PLATE থেকে আর নতুন কোষ তৈরি হয় না GROWTH PLATE  টা বন্ধ হয়ে যায়।
 
এটাকে সাধারণত বলা হয় GROWTH PLATE CLOSED এটা কখন ক্লোজ হয়? সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৬ – ১৭ বছরের মধ্যে এই GROWTH PLATE CLOSED হয়ে যায়। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৪ – ১৯ বছরের মধ্যে এই GROWTH PLATE CLOSED হয়ে যায়।এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই GROWTH PLATE CLOSED হওয়ার আগেই দেখা যায় কিছু মানুষ বেশি লম্বা হয়ে গেছে কিছু মানুষ মাঝারি আকৃতির
 
 আবার কিছু মানুষ খাটো অবস্থায়, তার GROWTH PLATE CLOSED হয়ে গেছে তাহলে আমরা জানতে পারলাম ২০ বছর বয়সের পর স্বাভাবিকভাবেই লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা আর থাকে না।একজন মানুষ কতটুকু লম্বা হবে তা নির্ভর করে তার জেনেটিক্স এর উপর এমনটা আসলে কতটুকু লম্বা হতে যাচ্ছে সেটা আসলে তার জন্মের সময়ই নির্ধারিত হয়ে যায়।
 

কিভাবে ঘুমালে লম্বা হওয়া যায়

ঘুম হল লম্বা হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রসেস গুলোর মধ্যে একটি অন্যতম।কিভাবে ঘুমালে লম্বা হওয়া যায় এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে এখন আমরা আলোচনা করব ঘুমানোর সময়  আমাদের শরীর গ্রোথ হরমোন তৈরি করে, যা হাড়ের বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণপ্রতি রাতে কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে।
 
কারণ গ্রোথ হরমোন সর্বাধিকভাবে নিঃসৃত হয় ঘুমের প্রথম ঘণ্টাগুলিতে, তাই যত বেশি ঘুমবেন, তত বেশি গ্রোথ হরমোন তৈরি হবে। নিয়ম করে ঘুমানোর জন্য একটি  সময় নির্ধারণ করুন। প্রতিদিন একই সময়ে  ঘুমাবেন এবং  জেগে ওঠার চেষ্টা করুন,  এমন কি ছুটির দিনেও তা করতে হবে। এই অভ্যাসটি আপনার  শরীরে একটি নির্দিষ্ট ঘুমের চক্র তৈরি করতে
 
সহায়তা করবে।ঘুমের পরিবেশ  যেন আরামদায়ক  হয় তা নিশ্চিত করুন। অবশ্যইআপনার ঘরটি অন্ধকার, শান্ত এবং শীতল হওয়া জরুরী। এবং তার সাথে আপনার বিছানাটাও কিন্তু আরামদায়ক হওয়া  জরুরী এবং আপনার মাথার বালিশ আপনার  ঘরের জন্য উপযোগী কিনা সে ব্যাপারটিতেও খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি।
 
 
ঘুমাতে যাওয়ার আগেযেকোনো ধরনের নেশা জাতীয় দ্রব্য তামাক ধূমপান  অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকুন। এই নেশা জাতীয় দ্রব্য গুলি আপনার  ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।ঘুমাতে যাওয়ার আগে শান্ত এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন ঘুমানোর আগে কোন প্রকার দুশ্চিন্তা থেকে বিরত থাকুন।
 
ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা কিছু খাবার খান এবং পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার খান। ভারী খাবার খাওয়া ফলে আপনার ঘুমের যথেষ্ট পরিমাণে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার ঘর থেকে সমস্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইস বন্ধ করে রাখার চেষ্টা করুন। এই যেন ডিভাইসগুলির থেকে নির্গত আলো বা শব্দ আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে।
 
 
বিছানায় শুয়ে থাকার পরেওযদি আপনি ঘুমাতে না পারেন তবে বিছানায় শুয়ে না থেকে। উঠে যান এবং কিছু হালকা ক্রিয়াকলাপএমন একটু হালকা হাটাহাটি করুন মন থেকে সমস্ত দুশ্চিন্তাগুলো দূর করার চেষ্টা করুন  তারপরে আবার শুয়ে পড়ুন এবং চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।এই টিপসগুলি অনুসরণ করে আপনি আপনার লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে পারেন।
 

আরো পড়ুনঃ মুখের দুর্গন্ধ করার ঘরোয়া পদ্ধতি

 
 এবংএখানে কিছু অতিরিক্ত টিপস রয়েছে যা ঘুমের সময় আপনার উচ্চতা বাড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ানোর জন্য সহায়ক হতে পারে আপনার মাথার বালিশ এবং বিছানার চাদর বিছানার সময় টেনে নিন যাতে আপনার  ঘাড় ও পিঠ সোজা থাকে।এ ব্যাপারটা অবশ্যই ভালোভাবে খেয়াল রাখবেন, এটি আপনার হাড়ের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।
 
 
আর অবশ্যই ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনার পা কিছুটা উঁচু করে রাখুন যেন এটি আপনার রক্ত ​​প্রবাহকে উন্নত করতে এবং আপনার হাড়ের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে সহায়ক হতে পারে।নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম আপনার হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল এবং এটি আপনার গ্রোথ হরমোন স্তরকে বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
 

লম্বা হওয়ার খাবার

কোন কোন খাবার লম্বা হওয়ার খাবার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে একজন মানুষ কতটুকু লম্বা হবে বা হচ্ছে তার   ৬০% থেকে ৮০% নির্ভর করে তার জেনেটিকস এর উপর  মানেএকটা মানুষ আসলে কতটুকু লম্বা হতে যাচ্ছে সেটা তার জন্মের সময় নির্ধারিত হয়ে যায়  এই গবেষণাগুলো করা হয়।
লম্বা হওয়ার খাবার
লম্বা হওয়ার খাবার
 

আরো পড়ুনঃ লাল টমেটোর ২১ টি উপকারিতা গুলো জেনে নিন

 
সাধারণত জমজ দের উপর যমজ দুই ভাই দুই বোন অথবা জমজ ভাই বোন এদের উপরে খুব সহজ করে বোঝার জন্য একটা সিচুয়েশন বলি মনে করেন কোন জমজ শিশু জন্ম নিল এরা হচ্ছে ধরেন দুই ভাই এদের মধ্যে একজনকে আপনি নিয়ে যাবেন হচ্ছে পৃথিবীর লম্বা যে দেশের মানুষ হয় সে দেশে  নেদারল্যান্ডে
 
নিয়ে যাওয়ার পর তাকে লম্বা হওয়ার জন্য সাহায্যকারী যে সমস্ত খাবার আছে সেগুলো খাওয়ালেন, ইনভারমেন্টাল ফ্যাক্টর  যা একে লম্বা হতে আরো বেশি সাহায্য করবে।সেগুলোতেও এক্সপোস করলেন আর অন্য যে আরেকটা ভাই রইল তাকে নিয়ে গেলেন পৃথিবীর সব থেকে খাটো যে দেশের মানুষ সে দেশে সেখানে নিয়ে গিয়ে এর ক্ষেত্রে আপনি যা করলেন,
 
এর বড় হওয়ার সময় যেন সে খুব কম লম্বা হয় যা কিছু করার তার সবকিছুই আপনি করলেন এরপরেও এরা বড় হওয়ার  পরে দেখা যাবে ,এক্সপেক্টলি এদের মধ্যে ডিফারেন্স থাকবে ২০ থেকে ৪০% এর বেশি না। এর মানে হচ্ছে জেনেটিকলি আপনি যতটুকু লম্বা হওয়ার জিন নিয়ে এসেছেন সেটা কি আপনি খুব বেশি পরিবর্তন করতে পারবেন না।
 
গবেষণাগুলোতে দেখা হয়েছে, মানুষের জেনেটিক ফ্যাক্ট গুলোকে যদি বাদ রাখা হয় তাহলে শুধুমাত্র  ইনভায়রনমেন্টাল ফ্যাক্টর তাকে কতটুকু বেশি বা কম লম্বা করতে পারে? আমি যে যমজ হওয়ার কথা বললাম এ জমজ হওয়ার ব্যাপারটা কিন্তু খুব ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার আপনারা কি জানেন জমজ কিন্তু আবার দুই ধরনের হয়।
 
একটা হচ্ছে MONOZYGOTE এবং DIZYGOTE জমজ MONOZYGOTE মানে হচ্ছে দুই ভাই বোন অথবা দুই ভাই যেটাই হোক না কেন।সেটা হচ্ছে মায়ের একটা ডিম্বাণু থেকে আসে আর DIZYGOTE  যেটা মায়ের দুইটা ডিম্বাণু থেকে দুইটা আলাদা ভাবে আসে এজন্যই দেখা যায় যে জমজের মধ্যে অনেকটাই মিল।
 
আবার কিছু ক্ষেত্রে জমজ ঠিকই কিন্তু অনেক বহু গুনে মিল থাকে না এটার কারণ হচ্ছে ওই MONOZYGOTEএবং  DIZYGOTE।কিন্তু যমজ আসলে একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার এগুলো নিয়ে আমরা অন্য একটি আর্টিকেলে আলোচনা করব।এখন  আসুন আলোচনা করা যাক জেনেটিকসের বাইরে যে 20 থেকে 40% এনভাইরনমেন্টাল ফ্যাক্টর যেটা আপনি চাইলে পরিবর্তন করতে পারেন।
 
সেগুলো আসলে কি কি?প্রথমত হচ্ছে খাবার বেশিরভাগ সময় দেখা যায় বাচ্চারা ঠিকঠাক মতো খেতে চায় না, আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় খাচ্ছে ঠিকই কিন্তু খাবার থেকে ঠিকমতো পুষ্টিগুণ পাচ্ছে না, যেটা তার লম্বা হওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটা গুরুত্বপূর্ণ উপকারী এবং জরুরী।
 
যেমন ধরুন খাবারের মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন ডি সে পাচ্ছে না যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালসিয়াম পাচ্ছে না ,তো এটা সমাধান করার সহজ উপায় হচ্ছে শিশুদের এবং বড়দের খাবারের মধ্যে বেশি পরিমাণে শাকসবজি এবং ফলমূল রাখা উচিত আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে শিশুদের এবং বড়দের লম্বা হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া জরুরী।
 
তাদের খাবারে যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন যাচ্ছে কিনা সেটা  গুরুত্ব সহকারে খেয়াল রাখতে হবে প্রোটিনযুক্ত খাবারের মধ্যে প্রথমে যেগুলোর নাম আসে সেগুলো হচ্ছে মুরগির মাংস ডাল ডিম অথবা বাদাম ইত্যাদি দ্বিতীয় যে ব্যাপার সেটা হচ্ছে ঘুম এটা অত্যন্ত জরুরী তার কারণ হলো আমরা কিছুক্ষণ আগে গ্রোথ হরমোনের কথা বললাম।
 
ব্রেনের পিটুইটারিগ্ল্যান্ড রিলিজ করে এবং সেই গিয়ে লম্বা হওয়ার প্রসেস টা শুরু করে। এই গ্রোথ হরমোন পিটুইটারিগ্ল্যান্ডরিলিজ করে। কখন জানেন? বাচ্চারা যখন ঘুমিয়ে থাকে  তখনই  সাধারণত পিটুইটারিগ্ল্যান্ড এই  গ্রোথ হরমোন রিলিজ করে। এজন্যই ঘুমের ব্যাপারটা খুবই জরুরী। CDC এর  রিকমান্ডেশন অনুযায়ী
 
সাধারণত একটি মানুষের আট ঘন্টা ঘুমানো  উচিত এবং এই ঘুমটা খুব ভালো কোয়ালিটির হওয়া উচিত। তো GROWTH PLATE বন্ধ হওয়ার আগে খাওয়া-দাওয়া এবং ঘুম  প্রধানত এই দুইটা ব্যাপারই  প্রভাব ফেলতে পারে ।
 

লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায়

লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায় জানার আগে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাক,সাধারণত একজন মানুষের উচ্চতা নির্ধারণে  জন্য পারিবারিক জিনগত উপাদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
পারিবারিক জিনগত কারণের পাশাপাশি  অন্যান্য কিছু উল্লেখযোগ্য কারণেও উচ্চতা কম বেশি হতে পারে। আবার অপুষ্টি জনিত কারণেও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে আবার অপুষ্টি জনিত কারণেও স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
 

আরো পড়ুনঃ কতটুকু বীর্য বের হলে গোসল করা ফরজ হয়

 
হাড়ের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলি হল ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন এ এই পুষ্টি উপাদানগুলি পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে।তাই আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত  পরিমাণে সুষম খাবার  এবং ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
 

আরো পড়ুনঃ ওয়ালটন চার্জার ফ্যানের দাম জেনে নিন 

 
ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস হল দুধ, দই, চিজ, ব্রোকলি, পালং শাক ইত্যাদি এবং প্রোটিনের ভালো উৎস হল মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, শিম ইত্যাদি। ভিটামিন ডি-র ভালো উৎস হল সূর্যের আলো, ডিম, মাছ,ইত্যাদি।
 
ভিটামিন এ-র ভালো উৎস হল লাল শাক,পাকা পেঁপে রঙিন ফলমূল গাজর, দুধ, কলা, আম, টমেটো ইত্যাদি।প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো  অবশ্যই জরুরী প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। ঘুমের সময় গ্রোথ হরমোন নিঃসৃত হয়, যা হাড়ের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।নিয়মিত ব্যায়াম করা ও আপনার শারীরিক বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত জরুরী।
 
নিয়মিত ব্যায়াম হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, যা উচ্চতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করা  প্রয়োজন বিশেষ করে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত ব্যায়ামগুলি জেনে তা করা অত্যন্ত জরুরি।  উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত কিছু ব্যায়াম  গুলোর মধ্যে অন্যতম যেমনএকটি উঁচু রড বা ঝুলন্ত রড ধরে ঝোলানো।
 
স্ট্রেট লেগ লিফ্ট: সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে, পা সোজা করে উপরে তোলা।ভুজঙ্গাসন: একটি যোগ ব্যায়াম যা পিঠের পেশীগুলিকে দীর্ঘ করে।হাঁটু ভাঁজ করে দাঁড়ানো: হাঁটু ভাঁজ করে দাঁড়িয়ে, হাত মাথার উপরে তোলা।এছাড়াও, লম্বা হওয়ার জন্য কিছু ঔষধ বা চিকিৎসাও রয়েছে।
 
এই চিকিৎসা গুলি নেওয়ার সময় অবশ্যই ভালো ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া অবশ্যই আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরী কারণ যে কোন ওষুধে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে তাই ওষুধ সেবনের পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন অবশ্যই।
 

লম্বা হওয়ার ইসলামিক উপায়

চলুন আমরা জেনে নেব লম্বাহওয়ার ইসলামিক উপায় এবং আমল।ইসলাম হচ্ছে একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা জীবনে চলতে গিয়ে যত সমস্যা আছে তার সব কটির সমাধান ইসলাম ধর্মে আছে। ঠিক তেমনি করেই যারা লম্বা হতে চাই তাদের জন্য কিছু দোয়া আছে যে দোয়া অথবা আল্লাহর গুণবাচক নাম আমল করলে সে লম্বা হতে পারবে।
লম্বা হওয়ার ইসলামিক উপায়
লম্বা হওয়ার ইসলামিক উপায়
 
তার জন্য অবশ্যই ঈমানের সহিত এবং মন থেকে আমলটি করতে হবে। আল্লাহ চাইলে সবই সম্ভব এ বিশ্বাস তো মনের মধ্যে থাকতেই হবে তো চলুন আমরা জেনে নেই লম্বা হতে চাইলে অবশ্যই আমলগুলো করে দেখতে পারেন।আমল করার বিস্তারিত নিয়ম সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক, তিন বেলা খাবারের পূর্বে
 
আল্লাহর এই গুণবাচক নামের আমল খাবার খাওয়ার পূর্বে   (ইয়া সামিউ) আল্লাহর এই পবিত্র গুণবাচক নাম বিশ্বাসের সহিত নিয়মিত খাবার আগে এই নাম পাঠ করে বিসমিল্লাহ বলে খাবার  খাওয়া শুরু করলে ইনশাআল্লাহ আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
 

FAQ । লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায় ও কিভাবে ঘুমালে লম্বা হওয়া যায়

মানুষ কত বছর পর্যন্ত লম্বা হতে পারে?
 
২০ বছর বয়সের পর স্বাভাবিকভাবেই লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা আর থাকে না।একজন মানুষ কতটুকু লম্বা হবে তা নির্ভর করে তার জেনেটিক্স এর উপর এমনটা আসলে কতটুকু লম্বা হতে যাচ্ছে সেটা আসলে তার জন্মের সময়ই নির্ধারিত হয়ে যায়।
 
লম্বা হওয়ার জন্য কি কি খেতে হবে?
 
খাবারের মধ্যে বেশি পরিমাণে শাকসবজি এবং ফলমূল রাখা উচিত আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে শিশুদের এবং বড়দের লম্বা হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন খাওয়া জরুরী।
 
18 বছরের পর লম্বা হওয়া যায় কি?
 
GROWTH PLATE CLOSED এটা কখন ক্লোজ হয়? সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৬ – ১৭ বছরের মধ্যে এই GROWTH PLATE CLOSED হয়ে যায়। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৪ – ১৯ বছরের মধ্যে এই GROWTH PLATE CLOSED হয়ে যায়।
 

শেষ কথা । লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায় ও কিভাবে ঘুমালে লম্বা হওয়া যায়

প্রিয় পাঠক,এরকমই তথ্যবহুল আর্টিকেল আমাদের ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হয়ে থাকে আপনারা নিয়মিত ভিজিট করার মাধ্যমে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে  অনেক তথ্য এবং টিপস পরামর্শ পেতে পারেন। আর্টিকেলটি ভালো লেগে থাকলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল এবং নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার অনুরোধ রইলো ধন্যবাদ।
 
পোস্ট ট্যাগ-
 
৭ দিনে লম্বা হওয়ার উপায়,মেয়েদের লম্বা হওয়ার উপায়,৫ ৬ ইঞ্চি লম্বা হওয়ার উপায়,কিভাবে তাড়াতাড়ি লম্বা হওয়া যায়,২৬ বছর বয়সে লম্বা হওয়ার উপায়,মেয়েদের লম্বা হওয়ার ব্যায়াম,কি খেলে লম্বা হওয়া যায়

লম্বা হওয়ার ইসলামিক উপায় সম্পর্কিত ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

লম্বা হওয়ার বৈজ্ঞানিক উপায় সম্পর্কিত ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

call: "+8801752255733", // Call phone number email: "masud84905@gmail.com", // Email link: "https://www.banglablogg.com", // Link